সিলেটের বিয়ানীবাজারে এক যুবকের শ্বশুরবাড়ির আঙিনার একটি গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ঘটনাটি স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে যে এটি আত্মহত্যা নয়, বরং পরিকল্পিতভাবে সংঘটিত একটি হত্যা।
এদিকে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে মরদেহ উদ্ধার করেছে এবং ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেছে। প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা নাকি হত্যা—তা নিশ্চিত করতে তদন্ত চলছে।
স্থানীয়দের মধ্যেও ঘটনার রহস্য ঘিরে নানা আলোচনা রয়েছে।
বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের দক্ষিণভাগ গ্রামে গাছে ঝুলন্ত অবস্থায় কয়ছর আহমদ (৩৮) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত কয়ছর আহমদের বাড়ি বিয়ানীবাজার উপজেলার মোল্লাপুর ইউনিয়নের আব্দুল্লাহপুর গ্রামে। তিনি দক্ষিণভাগ এলাকার মোক্তার আলীর মেয়ের জামাতা।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে গ্রামের একটি গাছে কয়ছর আহমদের মরদেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেন। পরে বড়লেখা থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে।

নিহতের বোন অভিযোগ করে বলেন, আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে মরদেহ গাছে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এটি আত্মহত্যা নয়, বরং হত্যা।
পুলিশ জানায়, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে মনে হলেও বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি করেছে।

