Collected from: somoynews.tv
শনিবার (৯ মে) রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেছেন, রুশ সৈন্যরা ন্যাটোর অস্ত্র ও সমর্থনপুষ্ট ‘একটি আগ্রাসী শক্তির’ সাথে মোকাবেলা করছে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত বিজয়ের বার্ষিকী উপলক্ষে কুচকাওয়াজে ভাষণ দিতে গিয়ে পুতিন বলেন, ‘বিজয়ী প্রজন্মগুলো বর্তমানের বিশেষ সামরিক অভিযান পরিচালনাকারী সৈন্যদের অনুপ্রাণিত করে।’
বিবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভ্লাদিমির পুতিন মস্কোর রেড স্কোয়ারে তার বার্ষিক বিজয় দিবসের ভাষণে ইউক্রেনে তার যুদ্ধকে ন্যায্যতা দিয়েছেন এবং ন্যাটোর নিন্দা করেছেন।
শত শত সামরিক কর্মীর সামনে এবং কয়েকজন বিশ্বনেতাকে পাশে নিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট বলেন, তিনি একটি ‘ন্যায্য’ যুদ্ধ করছেন এবং ইউক্রেনকে একটি ‘আগ্রাসী শক্তি’ বলে অভিহিত করেন, যা ন্যাটোর সমগ্র জোটের অস্ত্রসজ্জিত ও সমর্থন পাচ্ছে।
নাৎসি জার্মানির বিরুদ্ধে সোভিয়েত ইউনিয়নের বিজয়কে স্মরণ করে রাশিয়ার বৃহত্তম জাতীয় দিবস উপলক্ষে দেশটির বিভিন্ন অংশে সীমিত পরিসরে উদযাপনের মধ্যেই তার এই মন্তব্য এসেছে।
জনতার উদ্দেশে দেয়া ভাষণে পুতিন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সোভিয়েত সৈন্যদের আত্মত্যাগের স্মরণে তার বক্তব্য শুরু করেন।
‘বিজয়ী প্রজন্মের মহান কীর্তি আজ বিশেষ সামরিক অভিযানের লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নকারী সৈন্যদের অনুপ্রাণিত করছে,’ ইউক্রেন যুদ্ধের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন।
‘তারা ন্যাটো জোটের সমগ্র অস্ত্র ও সমর্থনপুষ্ট এক আগ্রাসী শক্তির মুখোমুখি। এবং তা সত্ত্বেও, আমাদের বীরেরা এগিয়ে চলেছেন।’ বলেন পুতিন।
এদিকে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে পুতিন জোর দিয়ে বলেন যে, নাৎসিবাদের পরাজয়ে সোভিয়েত জনগণ বড় অবদান রেখেছিল এবং তাদের দেশ ও সমগ্র বিশ্বকে রক্ষা করেছিল।
স্মারক অনুষ্ঠানের আগে, রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সোমবার ৮-৯ মে বিজয় দিবস উদযাপনের জন্য দুই দিনের যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব ঘোষণা করে এবং উদযাপনে কোনো ব্যাঘাত ঘটলে ইউক্রেনকে ‘ব্যাপক’ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুঁশিয়ারি দেয়।
পরে, ইউক্রেন ঘোষণা করে যে তারাও মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে একতরফা যুদ্ধবিরতি পালন করবে।


