Collected from: somoynews.tv
অসহনীয় গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে জ্বালানি তেল নিতে হচ্ছে গ্রাহকদের। চাপ কিছুটা কমলেও অনেক ক্ষেত্রে ৭ থেকে ৮ ঘণ্টা অপেক্ষার পর জ্বালানি মিলছে।
রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে এটি এখন প্রতিদিনের চিত্র হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল্যবৃদ্ধির পরও জ্বালানির চাহিদায় তেমন কোনো পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে না। আর জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, রাজধানীর বেশ কয়েকটি ফিলিং স্টেশনে ফুয়েল পাস অ্যাপ ছাড়া তেল দেয়া হচ্ছে না।
চালকরা বলছেন, ফুয়েল পাস থাকলে ১৪০০ টাকার দিচ্ছে, কিন্তু ফুয়েল পাস ছাড়া তেল দিচ্ছে না অনেক পাম্প। সরকার বলছে কোনো সমস্যা নেই, কিন্তু বাস্তবে আমরা তেল পাচ্ছি না। দাম বাড়ানোর পরও পর্যাপ্ত তেল মিলছে না। এর একটা সমাধান দরকার, এভাবে জীবন চলে না।
এদিকে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ডিপোগুলো থেকে ২০ শতাংশ অকটেন এবং পেট্রোল ও ডিজেল ১০ শতাংশ করে বেশি সরবরাহ করার কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) থেকে এটি কার্যকর হওয়ার কথা থাকলেও শুধু খুলনা ডিপোতে বর্ধিত তেল সরবরাহ করা হয়েছে। বাকি ডিপোগুলোতে আগের বরাদ্দ অনুযায়ীই তেল বিপণন হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টরা জানান, চাহিদামতো তেল এখন পাওয়া যাচ্ছে, আগে যেটা পাওয়া যেত না। তবে এখনো সম্পূর্ণ চাহিদা পূরণ হয়নি, আরও বাড়াতে হবে। আগে ৭ হাজার থেকে ৮ হাজার ইউনিট দেয়া হতো, এখন ৯ হাজার দেয়া হচ্ছে।
ফুয়েল পাস ব্যবস্থার মাধ্যমে জ্বালানি বিতরণে শৃঙ্খলা আনা সম্ভব বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। এতে অবৈধ মজুত কমবে বলেও তারা আশা প্রকাশ করেন। পাম্প মালিকরা বলেন, সবাই শৃঙ্খলা অনুযায়ী ফুয়েল পাস নিয়ে তেল নিচ্ছে। যাদের ফুয়েল পাস নেই, তাদের তেল দেয়া হচ্ছে না।
জ্বালানি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এই অ্যাপটি প্রাথমিকভাবে মোটরসাইকেল চালকদের জন্য চালু করা হয়েছে। পরীক্ষামূলকভাবে সফল হলে ধাপে ধাপে দেশের সব ধরনের যানবাহনের জন্য এটি চালু করা হবে।


