Collected from: tsports.com

বুড়িয়ে যে তিনি যাননি, সেটা প্রমাণ করার জন্য লিওনেল মেসির একটি শটই যথেষ্ট ছিল। বুধবার কানসাস স্টেডিয়ামে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ শুরুর মিশনে আকাশি-সাদাদের দলনেতা সেই শটটি নেন পঞ্চম মিনিটে। কিন্তু বিধাতা হয়তো তাকে আরেকটু অপেক্ষায় রাখতে চেয়েছিলেন। অফসাইটে মন খারাপও ঠিক ১২তম মিনিটে পর ঠিকই ভক্তদের উচ্ছ্বাসে মাতালেন মেসি।   এরপর ৬০ মিনিটে জোড়া পূরণ করেন তিনি।

বিশ্বের প্রথম খেলোয়াড় হিসেবে ষষ্ঠ বিশ্বকাপ খেলতে নেমেই গোল দেখা পান আর্জেন্টাইন মহাতারকা। এই গোলেই আলবিসেলেস্তেদের জার্সিতে সবচেয়ে বেশি বয়সে গোলের রেকর্ড গড়েছেন এলএমটেন।

বুধবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায় শুরু হওয়া ম্যাচের ১৭ মিনিটে মেসির গোলে এগিয়ে যায় আর্জেন্টিনা। মিডফিল্ড থেকে রদ্রিগো দি পল বল বাড়িয়ে দেন মেসির কাছে। বন্ধুর কাছ থেকে বল পেয়ে প্রায় ২৫ গজ দূর থেকে জোরালো শট নেন তিনি। আলজেরিয়ার গোলকিপার দুই হাত লাগাতে পারলেও সেই দুর্দান্ত শট ঠেকাতে পারেননি। বল জালে জড়িয়ে গেলে এগিয়ে যায় বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।

এর আগে ২০০৬ সালে বিশ্বকাপে সার্বিয়া ও মন্টিনিগ্রোর বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে গোল করেন মেসি। তখন তারিখ ছিল ১৬ জুন। তাঁর বয়স ছিল ১৮ বছর। বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সবচেয়ে কম বয়সী হিসেবে সেদিন একটি গোল করেছিলেন তিনি। আর আজকের তারিখও ১৬ জুন, ২০২৬ (যদিও বাংলাদেশ সময় ১৭ জুন)।

ক্যারিয়ারের ২০০তম আন্তর্জাতিক ম্যাচে এটি মেসির বিশ্বকাপের ১৫তম গোলের দেখা পান মেসি। এই গোলের মাধ্যমে বিশ্বকাপের ইতিহাসে যৌথভাবে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ গোলদাতার তালিকায় উঠে এসেছেন মেসি। ১৬ গোল নিয়ে প্রথম স্থানে আছেন জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসা আর ১৫ গোল নিয়ে দুইয়ে ব্রাজিলের রোনালদো নাজারিও ও মেসি।

২০০৬, ২০১৪, ২০১৮ ও ২০২২ সালের বিশ্বকাপে গোল করেছেন মেসি। এবারও উৎসব এনে দিলেন তিনি। একমাত্র ২০১০ সালে কোনো গোল করতে পারেননি তিনি।

 

 

Share.
Leave A Reply

Exit mobile version