Collected from: somoynews.tv

মধ্যপ্রাচ্যে আরও হাজার হাজার সেনা মোতায়েন করতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। মঙ্গলবার রয়টার্সকে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুজন ব্যক্তি জানান, পেন্টাগন মার্কিন সেনাবাহিনীর অভিজাত ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশন থেকে হাজারো সৈন্য মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র অনুসারে, সেনাবাহিনীর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের প্রায় ১,০০০ মার্কিন সৈন্য আগামী দিনগুলোতে মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েন হতে চলেছে, যা এই অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান সামরিক শক্তি আরও বাড়িয়ে তুলবে। এমন এক সময়ে এই পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে, যখন ট্রাম্প প্রশাসন বলছে যে তারা সংঘাতের অবসান ঘটাতে ইরানের সাথে আলোচনা করছে।


সূত্রটি জানিয়েছে, ব্রিগেডটি মধ্যপ্রাচ্যের ‘প্রস্তুত ইউনিট’ হিসেবে থাকবে, প্রয়োজনে তলব পাওয়ার জন্য প্রস্তুত। ২০২০ সালে ইরানি কমান্ডার কাসেম সোলেইমানির হত্যার পর ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল।
 
রয়টার্স ১৮ মার্চ সর্বপ্রথম জানায় যে, ট্রাম্প প্রশাসন হাজার হাজার অতিরিক্ত মার্কিন সৈন্য মোতায়েনের কথা বিবেচনা করছে, যা ইরানের ভূখণ্ডের ভেতরেও বাহিনী মোতায়েনের সুযোগ প্রসারিত করবে। এই ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি এই সংঘাতের ঝুঁকি নাটকীয়ভাবে বাড়িয়ে দিতে পারে, যা ইতোমধ্যে যুদ্ধ চতুর্থ সপ্তাহে প্রবেশ করেছে এবং বিশ্ববাজারকে অস্থির করে তুলেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কর্মকর্তারা নির্দিষ্ট করে বলেননি যে, মধ্যপ্রাচ্যের ঠিক কোন জায়গায় সৈন্যরা যাবে বা কখন তারা ওই অঞ্চলে পৌঁছাবে। সৈন্যরা নর্থ ক্যারোলাইনার ফোর্ট ব্র্যাগে মোতায়েন রয়েছে।
 
মার্কিন সামরিক বাহিনী প্রশ্নগুলো হোয়াইট হাউসের কাছে পাঠিয়ে দিয়েছে, যা জানিয়েছে যে সৈন্য মোতায়েন সংক্রান্ত সমস্ত ঘোষণা পেন্টাগন থেকেই আসবে।
 
‘আমরা যেমনটা বলে আসছি, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হাতে সবসময়ই সব ধরনের সামরিক বিকল্প খোলা থাকে।’ বলেছেন হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র আনা কেলি।

এদিকে, একটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, সরাসরি ইরানে সেনা পাঠানোর কোনো সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়নি, তবে এই অঞ্চলে ভবিষ্যতে সম্ভাব্য অভিযানের জন্য তারা প্রস্তুত থাকবে।

অন্য একটি সূত্র জানিয়েছে যে পেন্টাগন ৩,০০০ থেকে ৪,০০০ সৈন্য পাঠাতে প্রস্তুত ছিল।
 
ওই অঞ্চলে অতিরিক্ত বাহিনী পাঠানোর আগে সেখানে ৫০,০০০ মার্কিন সেনা ছিল বলে জানা গেছে। ইরানের সঙ্গে ‘ফলপ্রসূ’ আলোচনা হয়েছে বলে ট্রাম্প ইরানের বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে বোমা হামলার হুমকি স্থগিত করার ঠিক একদিন পরেই এই অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর খবরটি আসে। তবে, সেই আলোচনার বিষয়টি প্রত্যাখ্যান করেছে তেহরান। 
 
সংশ্লিষ্ট প্রথম সূত্র জানিয়েছে, মোতায়েনের জন্য এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক আদেশ আসেনি, যদিও তা শীঘ্রই আসবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Share.
Leave A Reply

Exit mobile version