Collected from: somoynews.tv
জামিনে বেরিয়ে ফের বেপরোয়া তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী আবু সাঈদ ওরফে মাদক সাঈদ। চাঁদা না দিলেই রাজধানীর আদাবরে বিভিন্ন কারখানা ও গ্যারেজে চাপাতি নিয়ে হামলা করছে সাঈদ ও তার গ্যাং সদস্যরা।
চাঁদাবাজি, মাদক কারবারের পাশপাশি কিশোর গ্যাং দিয়ে ছিনতাইও করাচ্ছে সাঈদ। পুলিশ বলছে, হামলার ফুটেজ দেখে সাঈদসহ চক্রের ৮ সদস্যকে শনাক্ত করা হয়েছে। শিগগিরই আইনের আওতায় আনার চেষ্টা চলছে।
সময় সংবাদের হাতে আসা গত ১১ মের সিসি টিভির ফুটেজ বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, রাজধানীর আদাবরের শেখেরটেকের ১০ নম্বর সড়কের বালুর মাঠে ঢোকে তিনটি মোটরসাইকেল। চাপাতি ধরে রিকশা গ্যারেজ মালিকের কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে ৯ সন্ত্রাসী। টাকা দিতে অস্বীকার করলে গ্যারেজ ভাঙচুর করে তারা।
শেখেরটেক ইউনিট বিএনপির অফিসেও ভাঙচুর করে একই দল। ভেঙে ফেলা হয় বিভিন্ন জিনিসপত্র।
এমব্রয়ডারি কারখানাতেও হামলা করে সন্ত্রাসীরা। বন্ধ গেট খুলতে চাপতি দিয়ে কোপায় তারা। এলাকায় একের পর এক হামলায় আতঙ্কে ব্যবসায়ীরা।
শুধু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানই নয়, ব্যাটারিচালিত রিকশা ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগও আছে গ্যাংটির বিরুদ্ধে।
আদাবরে শুধু চাঁদাবাজি নয়, ছিনতাই, চুরি ও ডাকাতিও ঘটছে নিয়মিত। সম্প্রতি মনসুরাবাদে এমব্রয়ডারি কারখানার সিসিটিভি ক্যামেরার তার কেটে তালা ভেঙে লুটপাট করে দুর্বৃত্তরা।
সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ বলছে, আদাবরে হামলার নেতৃত্ব দেয় হেলমেট পরিহিত সাঈদ ওরফে মাদক সাঈদ। চাপাতি হাতে চাঁদা দাবি করা ব্যক্তি আমির ওরফে এলেক্স আমির। চাপাতি হাতে লাল টি-শার্ট পরা ব্যক্তির নাম পিকআপ রুবেল। এছাড়াও হামলায় অংশ নেয় মাউরা সোহেল, শিকদার লিটন, রফিকুল, শাহিন ও আমির ।
পুলিশ বলছে, সম্প্রতি জামিনে বেরিয়ে ফের চাঁদাবাজি শুরু করেছে তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী সাঈদ।
ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সেকেন্ড ইন কমান্ড মো. ফজলুল করিম বলেন, বেশ কয়েকজনকে আমরা শনাক্ত করেছি। আমরা আশা করছি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে এই যে চক্রটা যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে তাদেরকে আমরা আইনের আওতায় নিয়ে আসব।
সাঈদ গ্যাংয়ের তৎপরতা বন্ধে এলাকায় নজরদারি বাড়িয়েছে পুলিশ।

