Collected from: tsports.com
প্যারাগুয়েকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে ফ্রান্স। ফিলাডেলফিয়ায় কাঙ্ক্ষিত এই জয়ের পর ফরাসীদের বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা ২৪.৫ শতাংশ থেকে বেড়ে ২৬.৬ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। এর মাধ্যমে ২০২৬ বিশ্বকাপের প্রধান ফেভারিট হিসেবে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করল দিদিয়ের দেশমের দল।
আগামী বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বোস্টনে সেমিফাইনালে ওঠার লড়াইয়ে মরক্কোর মুখোমুখি হবে ফরাসীরা। শেষ ১৬-এর ম্যাচে কানাডাকে হারিয়ে মরক্কোও টুর্নামেন্টে টিকে রয়েছে।
ফ্রান্সের কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠার প্রভাব পড়েছে স্পেনের ওপর। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে থাকা স্পেনের শিরোপা জয়ের সম্ভাবনা ১৬.৩ শতাংশ থেকে কমে ১৩.৭ শতাংশে নেমে এসেছে। পরিসংখ্যান বলছে, সেমিফাইনালে ফ্রান্স ও স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা থাকায় স্প্যানিশদের রেটিং কমেছে। এই সুযোগে ১৫.৭ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে তিনে থাকা আর্জেন্টিনা ১৭.৬ শতাংশ রেটিং পেয়ে আবারও টুর্নামেন্টের দ্বিতীয় শীর্ষ ফেভারিট দল হিসেবে ফিরে এসেছে।
শিরোপা জয়ের দৌড়ে ৫.৯ শতাংশ সম্ভাবনা নিয়ে তালিকার পঞ্চম স্থানেই থমকে আছে ব্রাজিল। হালনাগাদ পরিসংখ্যান অনুযায়ী শীর্ষ দলগুলোর বিশ্বকাপ জয়ের সম্ভাবনা যথাক্রমে—ফ্রান্স (২৬.৬%), আর্জেন্টিনা (১৭.৬%), স্পেন (১৩.৭%), ইংল্যান্ড (৬.১%), ব্রাজিল (৫.৯%), মরক্কো (৪.৮%) এবং পর্তুগাল (৪.৮%)।
বিশ্বখ্যাত ফুটবল পরিসংখ্যান মডেল ও এনালিস্ট টিম ‘গাতো মেস্ত্রে’ (Gato Mestre) অর্থনীতিবিদ ব্রুনো ইমাইযুমির সাথে যৌথভাবে দলগুলোর এই সম্ভাবনার চিত্রটি তৈরি করেছে। বাছাইপর্ব এবং বিশ্বকাপের প্রতিটি রাউন্ডে দলগুলোর মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে এই ডেটা নিয়মিত পরিবর্তন হয়।
এই প্রক্ষেপণ বা প্রেডিকশনের বিষয়ে অর্থনীতিবিদ ব্রুনো ইমাইযুমি বলেন, ‘এটি টুর্নামেন্টের বর্তমান পরিস্থিতির একটি বাস্তব চিত্র মাত্র। এটি কোনো নিশ্চিত বা ফিক্সড ভবিষ্যদ্বাণী নয়। ম্যাচের ফলাফল এবং মাঠের পারফরম্যান্সের ওপর ভিত্তি করে এই সম্ভাবনা প্রতিনিয়ত ওঠানামা করে।’

