Collected from: somoynews.tv
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আবারও মুখোমুখি হচ্ছে ম্যানচেস্টার সিটি ও রিয়াল মাদ্রিদ। গ্রুপ পর্বের পর ফের শেষ ষোলোতেও দুই পরাশক্তির ফের দেখা হওয়াকে ‘কিছুটা অদ্ভুত’ লাগছে সিটি কোচ পেপ গার্দিওলার কাছে।
২০১৬ সালে ইতিহাদে দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে গার্দিওলার অধীনে এটি হবে রিয়ালের বিপক্ষে সিটির ১৩তম সাক্ষাৎ। ২০২১-২২ মৌসুম থেকে টানা নক-আউট পর্বে মুখোমুখি হয়ে আসছে দুদল। আরও উল্লেখযোগ্য বিষয়, চলতি মৌসুমের লিগ পর্বে মাত্র দুই মাস আগেই মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। পুরনো গ্রুপ-পর্বের ফরম্যাট থাকলে কোয়ার্টার ফাইনালের আগে এমন পুনরাবৃত্তি সম্ভব হতো না।
শুক্রবারের (২৮ ফেব্রুয়ারি) ড্রয়ের পর গার্দিওলা বলেন, ‘হ্যাঁ, এটা একটু অদ্ভুত। অনেক সময়ই এমন হয় না যে গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচের প্রতিপক্ষই আবার প্রথম নকআউট ড্রয়ে পড়ে যায়। ফরম্যাটটা ভিন্ন, কেউ পছন্দ করবে, কেউ নাও করতে পারে। তবে এটাই বাস্তবতা।’
নতুন ফরম্যাটে একই মৌসুমে একাধিকবার মুখোমুখি হওয়ার বিষয়টি তুলনা করতে গিয়ে তিনি ইংলিশ ফুটবলের উদাহরণ টানেন। গার্দিওলা বলেন, ‘প্রিমিয়ার লিগ আর কাপ মিলিয়ে আমরা নিউক্যাসলের বিপক্ষে কতবার খেলেছি? আবার ফাইনালেও খেলতে পারি। শুরুতে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে আট-নয়-দশটি দল ছিল। সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নিতে হয়।’
বাস্তবতা মেনে নিয়ে সিটি কোচ বলেন, ‘মাদ্রিদের সঙ্গে ড্র মানেই কঠিন চ্যালেঞ্জ। আমরা কী-ই বা করতে পারি?’
শেষ ষোলো পেরোতে পারলে সিটির সামনে অপেক্ষা করতে পারে বায়ার্ন মিউনিখ বা আটালান্তা। সেমিফাইনালে সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি। কাগজে-কলমে সিটি কঠিন অর্ধে পড়েছে, এমন ধারণা উড়িয়ে দিয়েছেন গার্দিওলা।
তার ভাষায়, “এভাবে বলা অন্য দলগুলোর প্রতি অসম্মানজনক হবে, ধরা যাক নিউক্যাসল, বার্সেলোনা, আতলেতিকো বা স্পার্স। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ এমনিতেই কঠিন প্রতিযোগিতা। মাদ্রিদ যে কঠিন, সেটা সবাই জানে। কিন্তু আপনি যে দলটার নামই বলুন, প্রত্যেকেরই নিজস্ব ‘ট্রিক’ আছে। এখন এই প্রতিযোগিতায় এগোতে চাইলে সেরাদের হারাতেই হবে। তা না হলে আপনি এগোনোর যোগ্য নন।”
চ্যাম্পিয়ন্স লিগে সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সিটি-রিয়াল লড়াই যেন এক নতুন ক্লাসিক দ্বৈরথে রূপ নিয়েছে। নতুন ফরম্যাটে সেই পরিচিত প্রতিদ্বন্দ্বিতাই আবারও ফিরছে, আর গার্দিওলার দলকে এবারও পাড়ি দিতে হবে ইউরোপের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলোর একটি।

