Collected from: tsports.com
শ্ব রেকর্ডের হাতছানি নিয়ে ম্যাচের শুরুতেই সুযোগ পেলেন লিওনেল মেসি। কিন্তু পেনাল্টিতে তখন গোল তিনি করতে পারলেন না। তবে ভক্ত-সমর্থকদের বেশি অপেক্ষাও করালেন না আর্জেন্টাইন মহাতারকা।
প্রথমার্ধের শেষ দিকে করলেন প্রথম গোল আর দ্বিতীয়ার্ধের ইনজুরি টাইমে করলেন আরেকটি। পরপর দুই ম্যাচে একাধিক গোল করে মেসি হয়ে গেলেন বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। আর ম্যাচ শেষে মেসি বললেন, পেনাল্টিতে গোল না পাওয়াই মূলত ভালো হয়েছে তার জন্য।
ডালাস স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ সময় রোববার রাতে অস্ট্রিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়েছে আর্জেন্টিনা। প্রথম ম্যাচের মতো এদিনও দলের সবকটি গোল একাই করেছেন মেসি। যার সৌজন্যে এখন বিশ্বকাপে তার গোলসংখ্যা ১৮টি।
টুর্নামেন্টের ৯৬ বছরের ইতিহাসে মেসির চেয়ে বেশি গোল নেই আর কোনো ফুটবলারের। ম্যাচের ৩৮ মিনিটে ফাকুন্দো মেদিনা পাস থেকে বাম পায়ের জাদুকরী ছোঁয়ায় জাল কাঁপিয়ে মিরোস্লাভ ক্লোজাকে ছাড়িয়ে ১৭তম গোল করেন মেসি।
আর দ্বিতীয়ার্ধের অতিরিক্ত সময়ে তার পা থেকে আসে বিশ্বকাপে নিজের ১৮তম ও সব মিলিয়ে জাতীয় দলের হয়ে ১২২তম গোল।
আর ম্যাচ শেষে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার গ্রহণ করে তিনি বলেছেন, পেনাল্টিতে গোল না পাওয়াই ভালো হয়েছে তার জন্য।
“পুরো বিষয়টি যেভাবে ঘটেছে, তা সত্যিই অসাধারণ। আজ আমার পেনাল্টিতে গোল করার সুযোগ ছিল, যা ব্যবধান আরও বাড়াতে পারত। কিন্তু হয়তো আমি যদি সেটি (পেনাল্টি) গোল করতাম, তবে পরবর্তী দুটি গোল আর করা হতো না।”
“আগে থেকে তো আর কিছু নিশ্চিত করে বলা যায় না। তবে আমাদের ফলাফল, ব্যক্তিগত অংশগ্রহণ ও দলের সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় আমি অত্যন্ত সন্তুষ্ট ও আনন্দিত।”
এই জয়ে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত করে ফেলেছে আর্জেন্টিনা। মেসির মতে, অস্ট্রিয়াকে হারিয়ে সামনের ম্যাচগুলোর জন্য মানসিক শক্তি বাড়িয়েছে তার দল।
“সত্যি বলতে, এই জয়ে আমি অত্যন্ত আনন্দিত। খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কঠিন এবং কঠোর পরিশ্রমলব্ধ একটি জয়। এই জয় আমাদের সামনের ম্যাচগুলোর জন্য দারুণ মানসিক প্রশান্তি দেবে। বিশ্বকাপ মানেই প্রতিটি ম্যাচ খুব হাড্ডাহাড্ডি এবং তীব্র উত্তেজনার। আমরা ছয় পয়েন্ট অর্জন করতে পেরেছি।”

