Collected from: somoynews.tv
মঙ্গলবার ইরাকে একটি প্রধান মার্কিন কূটনৈতিক স্থাপনায় ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। ইরানের বিরুদ্ধে মার্কিন-ইসরাইলি বিমান যুদ্ধের মধ্যে এই হামলা হলো। খবর রয়টার্সের।
রয়টার্সের দেখা এক মার্কিন কর্মকর্তা এবং পররাষ্ট্র দপ্তরের অভ্যন্তরীণ সতর্কতা অনুসারে এসব জানানো হয়।
রয়টার্সের দেখা প্রতিরক্ষা বিভাগের অভ্যন্তরীণ সতর্কতায় বলা হয়েছে, ড্রোনটি বাগদাদ বিমানবন্দরের পাশে বাগদাদ কূটনৈতিক সহায়তা কেন্দ্রে আঘাত হানে এবং একটি গার্ড টাওয়ারের কাছে আঘাত হানে।
এতে বলা হয় ভবনটিতে থাকা ব্যক্তিদের নিরাপদ জায়গায় আশ্রয় গ্রহণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। একটি পৃথক সতর্কতায় বলা হয়েছে যে, এ বিষয়ে সকলের কাছে একটি ব্যাখ্যাও তুলে ধরা হয়।
হোয়াইট হাউস এবং পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিকভাবে মন্তব্যের অনুরোধের জবাব দেয়নি।
ওয়াশিংটন পোস্ট প্রথমে এই ঘটনার খবর প্রকাশ করে এবং বলে যে বাগদাদের কম্পাউন্ডের দিকে মোট ছয়টি ড্রোন ছোড়া হয়েছিল এবং পাঁচটি গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছিল।
এটি আরও বলেছে যে আক্রমণটি সম্ভবত ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীর একটি ছাতা গোষ্ঠী, ইসলামিক রেজিস্ট্যান্স ইন ইরাক পরিচালিত করে থাকতে পারে।
ওয়াশিংটন পোস্টের মতে, ইরাক এই হামলার নিন্দা জানিয়েছে কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত মার্কিন স্থাপনার কথা উল্লেখ করেনি।
এদিকে, ওয়াশিংটন পোস্টের উদ্ধৃতি দিয়ে মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, (ইরাকি) প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জোর দিয়ে বলছে যে তারা দর্শক হয়ে থাকবে না। বরং, তারা দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করবে এবং জড়িত সকল পক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের উপর আক্রমণ শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল। ইরানও মার্কিন ঘাঁটিসহ ইসরাইল ও উপসাগরীয় দেশগুলোর উপর নিজস্ব হামলার মাধ্যমে এর জবাব দিয়েছে।
এদিকে, ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) জানিয়েছে যে, মার্কিন ও ইসরাইলি আক্রমণ বন্ধ না হলে তারা উপসাগরীয় অঞ্চল থেকে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেবে।
মঙ্গলবারও পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রাখে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান।

