Collected from by: সময় মিডিয়া লিমিটেড
আগামী ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসা বা পর্যটন ভিসা (বি১/বি২) প্রক্রিয়ায় নতুন শর্ত যুক্ত হচ্ছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩৮ দেশের নাগরিকদের অবশ্যই ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত দিতে হবে। ছবি: সংগৃহীত
সোমবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে ঢাকায় যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, ২০২৬ সালের ২১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশের নাগরিকদের মধ্যে যারা ব্যবসা বা পর্যটনের উদ্দেশ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বি১/বি২ ভিসার জন্য অনুমোদিত হবেন, তাদের সর্বোচ্চ ১৫ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড জমা দিতে হবে।
দূতাবাস জানায়, তবে ২১ জানুয়ারি ২০২৬-এর আগে ইস্যু করা বৈধ বি১/বি২ ভিসাধারীদের ক্ষেত্রে এই নতুন শর্ত প্রযোজ্য হবে না।
আরও পড়ুন: যুক্তরাষ্ট্রের ভিসা বন্ড থেকে বাংলাদেশকে অব্যাহতির আহ্বান খলিলুর রহমানের
পোস্টে দূতাবাস আরও জানায়, সাক্ষাৎকারের আগে কোনো অবস্থাতেই বন্ড পরিশোধ করবেন না। আগাম বন্ড পরিশোধ করলে, তা ভিসা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেয় না। এছাড়া তৃতীয় পক্ষের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অর্থ লেনদেনকে প্রতারণামূলক হতে পারে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
দূতাবাসের বার্তায় আরও বলা হয়, সাক্ষাৎকারের আগে পরিশোধ করা কোনো অর্থই ফেরতযোগ্য নয়। তবে ভিসার শর্তাবলি যথাযথভাবে অনুসরণ করলে বন্ডের অর্থ পরবর্তীতে ফেরত দেওয়া হবে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের নির্ধারিত ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে বলেও উল্লেখ করা হয়।
আরও পড়ুন: মার্কিন ভিসা বন্ড কী? কোন কোন ভিসা ক্যাটাগরিতে এই নিয়ম মানতে হয়
সম্প্রতি মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ভ্রমণবিষয়ক ওয়েবসাইটে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের আবেদনের ক্ষেত্রে ৩৮ দেশের নাগরিকদের অবশ্যই ১৫ হাজার ডলার পর্যন্ত ভিসা বন্ড বা জামানত দিতে হবে। শুরুতে গত বছরের আগস্টে ভিসা বন্ডের শর্তযুক্ত দেশের তালিকায় ছয়টি দেশের নাম যুক্ত করে যুক্তরাষ্ট্র। পরে তারা আরও সাতটি দেশের নাম এই তালিকায় তোলে। এরপর সম্প্রতি বাংলাদেশসহ আরও ২৫টি দেশের নাম যোগ করে ওয়াশিংটন।
মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, নতুন করে যুক্ত হওয়া দেশগুলোর জন্য (কয়েকটি ছাড়া) এ বন্ডের শর্ত ২১ জানুয়ারি থেকে কার্যকর হবে। ভিসা বন্ড আরোপ বন্ধে সরকার কোনো পদক্ষেপ নেবে কিনা-জানতে চাইলে পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, এটা মাত্র হয়েছে। আমরা সাধারণ পদ্ধতিতে আমরা যাব। চেষ্টা করব যেন এটা থেকে আমাদের অব্যাহতি দেওয়া হয়।

